প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আজকে আমরা জানবো কিভাবে “সাফারি পার্ক” অনুচ্ছেদ রচনাটি লিখতে হয় যা । ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর জন্য প্রযোজ্য হবে। যা নতুন নামে নামকরণ হয়েছে এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক ও প্রজনন কেন্দ্র অনুচ্ছেদ রচনা ।
সাফারি পার্ক অনুচ্ছেদঃ
পরিবেশ রক্ষা পেলে মানৰ অস্তিত্ব টিকে থাকবে। পরিবেশের স্বাভাবিকত্ব ও ভারসাম্য নির্ভর করে উদ্ভিদ ও প্রানির পারস্পরিক সহাবস্থানের ওপর। এক্ষেত্রে প্রয়োজন উদ্ভিদের অস্তিত্ব রক্ষার যথার্থ পরিবেশ ও প্রাণিকূলের জন্য অভয়ারণ্য। এই উদ্দেশ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গড়ে তোলা হয়েছে সাফারি পার্ক। বন্যপ্রাণী রক্ষায় প্রতিষ্ঠিত পার্কের নাম সাফারি পার্ক। এখানে প্রাণীদের খাঁচায় বন্দি করে না রেখে মুক্তভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশে রাখা হয়। বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার চকোরিয়া উপজেলার ডুলা হাজরায় একটি সাফারি পার্ক রয়েছে। ডুলা হাজরায় এই সাফারি পার্কটি বাংলাদেশের একমাত্র সাফারি পার্ক। ১৯৯৬ সালে বন্যপ্রাণি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষার জন্য কক্সবাজার বনবিভাগের ডুলা হাজরা বনাঞ্চলে প্রায় ৯০০ হেক্টর বনভূমি জুড়ে সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হয় ।
বনভূমি উজাড় হওয়ার ফলে বহু বন্যপ্রাণি বিলুপ্ত হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে। এক্ষেত্রে সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সরকার ২০০০ সালের মার্চ মাসে পাকটিকে “ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক” নামকরণ করে। তবে বর্তমানে এর নামকরণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র বাংলাদেশে আরও একটি সাফারি পার্ক নির্মিত হচ্ছে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে, যা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সাফারী পার্ক। প্রাণিকূলের অভয়ারণ্য হিসেবে সাফারি পার্ক অন্যতম একটি ব্যবস্থা, বনভূমির মাকে প্রাণিদের এক নিরাপদ আবাসস্থল। বাংলাদেশে এ ধরনের পার্ক আরও গড়ে তোলা উচিত। এর ফলে প্রকৃতিও তার সৌন্দর্য হারাবে না।
আরো পড়ুনঃ সকল অনুচ্ছেদ রচনার লিংক।