প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আজকে আমরা জানবো “নাগরিক জীবন” অনুচ্ছেদ রচনাটি কিভাবে লিখতে হয়। যা ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর জন্য প্রযোজ্য হবে ।
নাগরিক জীবন অনুচ্ছেদঃ
নগর বা শহরে বসবাসকারীদের নাগরিক বলা হয়। অতীতে আমাদের জীবনযাত্রা গ্রামকেন্দ্রিক হয়ে থাকলেও ক্রমেই তা হয়ে উঠছে শহরমুখী । নাগরিক জীবন পল্লিজীবনের তুলনায় বেশি দ্রুত ও কৃত্রিম এবং সে কারণেই আধুনিক, যাকে আরো স্থলভাবে বলা যায় সস্তা । পল্লিজীবন অকৃত্রিম আর নাগরিক জীবন তার উল্টো। কৃত্রিমতা কথাটা শুনতে খারাপ হলেও সভ্যতার অঙ্গ বলে আমরা একে গ্রহণ করেছি। একে নাগরিক জীবনের দোষ বলে গণ্য করাও মুশকিল। তবে নাগরিক জীবনে রয়েছে সহৃদয়তার অভাব, আর কৃত্রিম বৈচিত্র্য। তবুও নাগরিক জীবন স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ। কারণ ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যের মর্যাদা গ্রামের তুলনায় নগরে, শহরে বেশি প্রতিষ্ঠিত।
শহরে পরস্পরের উপরে নির্ভরশীলতা গ্রামের চেয়েও বেশি কিন্তু এই নির্ভরশীলতার মূলে মুদ্রার সচলতা ছাড়া আর কোনো হার্দিক সম্পর্ক এখানে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না। তবুও নগরজীবন শিক্ষা, চিকিৎসা, অর্থবিত্ত, আমোদ-প্রমোদ ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে এতটাই অগ্রসর যে একে অস্বীকার করা অসম্ভব নাগরিক জীবনের বিশাল কর্মক্ষেত্র মানুষকে নিয়ে যেতে পারে উন্নতির শিখরে, তাই এর দোষ-ত্রুটি নয়, যথার্থতা অর্জন করাই হতে পারে আমাদের লক্ষ্য। এখানে নানারকম সীমাবদ্ধতা থাকতেই পারে, এই সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে হবে।
আরো পড়ুনঃ সকল অনুচ্ছেদ রচনার লিংক।